বাংলাদেশের মুখ্য অনলাইন নিউজ পোর্টাল।

ADD

রবিবার, ২৮ জুন, ২০২০

নাটোরে এমপি রত্না আহমেদের বাড়িতে চুরি

নাটোরে এমপি রত্না আহমেদের বাড়িতে চুরি

নাটোরে এমপি রত্না আহমেদের বাড়িতে চুরি


নাটোরে এমপি রত্না আহমেদের বাড়িতে চুরি সংঘটিত হয়েছে। শনিবার রাতে এমপি রত্না আহমেদের ভবনের পিছনের জানালার গ্রীল ভেঙ্গে চোর বাড়ির ভিতরে প্রবেশ করে। তবে এমপি ঢাকায় থাকায় কি কি চুরি গেছে জানাতে পারেন নি তিনি।

পুলিশ ও পরিবার সুত্র জানায়, সংসদ অধিবেশন চলায় নাটোর নওগাঁ অঞ্চলের সংরক্ষিত আসনের এমপি ঢাকায় অবস্থান করছিলেন। তার দুই ছেলে মেয়ে আমেরিকা প্রবাসী। ফলে বাসায় কেউ ছিল না। এ সুযোগে চোর বাড়ির পিছনের জানালার গ্রীল ভেঙ্গে ভিতরে প্রবেশ করে। এরপর বটি ও হাসুয়া দিয়ে আলমারী ও ওয়ারড্রব ভাঙ্গার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুল হাসনাত বলেন চোর একজোড়া সোনার বালা ছাড়া আর কিছু নিতে পারেনি।
এমপি রতœা আহমেদ বলেন, তার বাসায় কিছু কাগজ পত্র ছাড়া মূল্যবান কিছু ছিলনা। রাজনৈতিক কারণেই তার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে।

নাটরের পুলিশ সুপার লিটন কুমার সাহা বলেন, পারিপার্শিক বিষয় এবং সিসিটিভির ফুটেজ দেখে প্রকৃত ব্যক্তিকে গ্রেফতারের চেষ্টা চালানো হচ্ছে। তাকে গ্রেফতার করতে পারলেই মূল রহস্য বেরিয়ে আসবে।

বুধবার, ১০ জুলাই, ২০১৯

প্রতিযোগী নয় বিদেশি কোম্পানিকে সহযোগী ভাবুন : জয়

প্রতিযোগী নয় বিদেশি কোম্পানিকে সহযোগী ভাবুন : জয়

বিদেশী কোম্পানির অবদানের কথা উল্লেখ করে তাদের প্রতিযোগী হিসেবে না দেখে সহযোগী ভাবতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়।
বুধবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে সংসদ সচিবালয় আয়োজিত ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ: সমৃদ্ধির অগ্রযাত্রায় তথ্য ও প্রযুক্তি’ শীর্ষক কর্মশালায় এ কথা বলেন তিনি।
সংসদ সচিব জাফর আহমেদ খানের সভাপতিত্বে এই কর্মশালায় আরও বক্তব্য রাখেন স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী, ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়া, প্রধান হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী, তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।
জয় বলেন, ‘দেশের বাইরে অনেক কোম্পানি বাংলাদেশে আসতে চায়, বাংলাদেশে ইনভেস্ট করতে চায়। তবে আমাদের অনেকের মধ্যে ধারণা রয়ে গেছে যে, বিদেশী কোম্পানি এসে তারা শুধু প্রফিট নিয়ে চলে যায়।’
‘একটু ভেবে দেখেন, আজ যদি বিদেশী কোম্পানি দেশে না আসতো তাহলে থ্রিজি-ফোরজি বাস্তাবায়ন করা যেতো? তারা শুধু প্রফিট নিয়ে চলে যায় না, তারা কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে, তাতে দেশের কত মানুষের লাভ হয়, তারা ট্যাক্স দেয়’ বলছিলেন তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা।
তিনি বলেন, ‘আজকের যুগ গ্লোবালাইজেশনের যুগ। আমরা কিন্তু নিজেদের আলাদা করে রাখতে পারি না, আমাদের অর্থনীতিকে আরও ওপেন করতে হবে। আমাদের নিজেদের মাইন্ডসেট একটু চেইঞ্জ করতে হবে, পরিবর্তন আনতে হবে।’
সিঙ্গাপুর-মালেশিয়ায় যেকোনো কোম্পানি এসে ব্যবসা করতে পারে, এতে তাদের অর্থনীতির লাভ হয়। আমাদেরও সেদিকে যেতে হবে উল্লেখ করে জয় বলেন, ‘একা সরকার সব করতে পারে না। করা ঠিকও না, কারণ সরকার যদি সব কিছু করতে যায় এতে সিস্টেম লস আছে। প্রাইভেট সেক্টরে লাভ-লোকসান বেশি দেখে, দেখতে হয়। সেখানে সিস্টেম লস কম হয় ।’
‘আমাদেরকে বিদেশী কোম্পানিকে কম্পিটিশনে না দেখে পার্টনারশিপে এগিয়ে যেতে হবে। এটা করতে অনেক পলিসি-নীতিমালা ও আইনের পরিবর্তন প্রয়োজন। এটা করতে পারলে আরও দ্রুত এগিয়ে যাওয়া যাবে’ বলছিলেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা জানান, ৩০০ সরকারি সেবা ডিজিটাইজ হয়ে গেছে। খাতা-কলমে ফাইল রাখার প্রয়োজন কমে আসছে। সেবার প্রদানের প্রক্রিয়া অনেক সহজীকরণ হয়েছে। আগে একটা কাজ দু’সপ্তাহ লাগতো এখন সেটা ২০ মিনিটে করা যায়।
তিনি বলেন, ‘সরকারি সবকিছু ডিজিটাইজ করাতে দুর্নীতির সুযোগ আস্তে আস্তে কমে যাচ্ছে। আমরা কিন্তু আসলেই দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ বানাতে পারি ডিজিটাইজ পদ্ধতিতে। সব ডিজিটাইজ হয়ে গেলে দুর্নীতির সুযোগ থাকে না।’
টেলিকমিউনিকেশনস এখনও ১০-২০ বছর পুরোনো আইনে চলছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটাকে এখন নতুন করে মর্ডান পদ্ধতিতে আনা প্রয়োজন। এটা না করলে আমরা এক পর্যায়ে গিয়ে আটকে যাবো, ইনফ্যাক্ট আমরা প্রায় সে পর্যায়ে চলে এসেছি। উদ্যোগ নেয়া হয়েছে, ১৫ বছরের একটা পরিকল্পনা করা হয়েছে। সম্পূর্ণ নতুন একটা টেলিকমিউনিকেশনস পলিসি করবো। যাতে ভবিষ্যতে জন্য উপযোগী থাকে।
অন্যন্য দেশ যারা এগিয়ে রয়েছে যেমন সিঙ্গাপুর, মালেশিয়া হতে উদাহরণ নিয়ে নিজেদের আইন-নীতিমালা পরিবর্তন করার কথা বলেন তিনি।

রবিবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯

নাটোরের তেবাড়ীয়া থেকে ৪২৫ পিস ইয়াবা ও গাঁজা সহ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী সোহেল গ্রেফতার।




র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে সবসময়ই মাদক উদ্ধারের ক্ষেত্রে অত্যন্ত অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। র‌্যাবের সৃষ্টিকাল থেকে এই পর্যন্ত র‌্যাব বিপুল পরিমান দেশী/বিদেশী অবৈধ মাদক উদ্ধার করে সাধারণ জনগনের মনে আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।

এরই ধারাবাহিকতায় অদ্য ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ তারিখে র‌্যাব-৫, নাটোর ক্যম্প, এর একটি আভিযানিক দল তেবাড়িয়া এলাকায় একটি বাড়ীতে মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানকারী দলটি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, তেবাড়িয়া এলাকায় কিছু অসাধু মাদক ব্যবসায়ী ইয়াবা ট্যাবলেট এর একটি বড় চালান ঢাকার অভ্যন্তরে নিয়ে এসেছে। প্রাপ্ত সংবাদের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিকভাবে আভিযানিক দলটি উক্ত স্থানে অভিযান পরিচালনা করে এবং

তাদের কে হাতে নাতে ৪২৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও গাঁজা সহ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী সোহেল (২৩) ও তার সহোযোগী আল আমিন (২৫) কে গ্রেফতার র্যাব।

রবিবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৮

শেখ হাসিনাকে আবারো ক্ষমতায় দেখতে চান সৌদি বাদশাহ।

শেখ হাসিনাকে আবারো ক্ষমতায় দেখতে চান সৌদি বাদশাহ।


জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বিশ্বনেতাদের পর এবার শেখ হাসিনাকে আবার ক্ষমতায় দেখতে চাইলেন সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ। শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের ধারাবাহিকতার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন তিনি। এছাড়া বাংলাদেশের অসামান্য অগ্রগতির ভূয়সী প্রশংসাও করেন সৌদি বাদশাহ। খবর বাসসের।

স্থানীয় সময় বুধবার বিকালে রিয়াদে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি বাদশার বৈঠকের পর পররাষ্ট্র সচিব মো. শহীদুল হক সৌদি বাদশার উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, ‘যদি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের ধারাবাহিকতা বজায় থাকে তাহলে সৌদি আরব ও বাংলাদেশের মধ্যকার সম্পর্ক আরও উন্নত হবে এবং সকল ক্ষেত্রে উন্নতি সাধিত হবে।’
পররাষ্ট্র সচিব বলেন, সৌদি বাদশাহ তিনবার প্রধানমন্ত্রীর সরকারের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার কথা উচ্চারণ করেন।
সচিব বলেন, বৈঠকটি উষ্ণ ও আন্তরিক পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাদশাহ নিজে রাজপ্রসাদের প্রবেশ দ্বারে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানিয়েছেন।
বাদশা প্রধানমন্ত্রীকে বলেছেন, ‘এটি আপনার ঘর এবং আপনাকে সবসময় এখানে স্বাগতম।’
বাদশাহ বলেন, সৌদি আরব ও বাংলাদেশ দু’টি ভ্রাতৃপ্রতিম দেশ এবং ধর্মের পাশাপাশি আমরা বিভিন্ন বিষয়ে একই বন্ধনে বাঁধা।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাদশার আথিয়েতার জন্য ধন্যবাদ জানালে সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ বলেন, এটা তার দায়িত্ব।
তিনি বলেন, দু’দেশের মধ্যকার সম্পর্ক অনেক উন্নত হয়েছে এবং উল্লেখ করেন যে অর্থনীতি, সংস্কৃতি, প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তার ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও জোরদারের সুযোগ রয়েছে।
বাদশাহ বলেন, ‘আমরা যৌথভাবে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়ছি।’ তিনি আশা প্রকাশ করেন যে এটা অব্যাহত থাকবে এবং এটি দুই ভ্রাতৃপ্রতিম দেশের জনগণের অভিন্ন আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন।
প্রধানমন্ত্রী প্রতিরক্ষাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদারের প্রস্তাব করলে বাদশাহ প্রস্তাবগুলো যথাযথ বলে অভিহিত করেন।
বাদশাহ বলেন, ‘আনুষ্ঠানিক পর্যায়ে আলোচনার পর এক্ষেত্রে পদক্ষেপ নেব।’
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সৌদি আরবে বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি কাজ করছে উল্লেখ করে এ ক্ষেত্রে তাদের দেখাশোনা করার জন্য সৌদি সরকারকে ধন্যবাদ জানান।
সৌদি বাদশাহ সেদেশে বসবাসরত বাংলাদেশিরা সৌদি অর্থনীতিতে বিরাট অবদান রাখছে উল্লেখ করে বলেন, তাদের দেখভাল করা আমার দায়িত্ব।
প্রধানমন্ত্রী সৌদি বাদশাকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান। পররাষ্ট্র সচিব বলেন, বাদশাহ আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন এবং ‘আমরা এটি কূটনৈতিক পর্যায়ে সম্পন্ন করবো বলে জানিয়েছেন।’
তিনি বলেন, বাদশা ফিলিস্তিনিদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করে বলেছেন, ‘বাংলাদেশ সবসময় মুসলিম উম্মার প্রশ্নে লড়াই করে। বিশেষ করে ফিলিস্তিন ইস্যুতে।’
বাদশাহ বলেন, ‘এ ইস্যুতে বাংলাদেশের অবস্থান সবসময় সম্মানজনক এবং এজন্য আমরা অত্যন্ত কৃতজ্ঞ।’ –বাসস

বিশ্বের সবচেয়ে সৎ পাঁচজন সরকার প্রধানের তালিকায় তৃতীয় স্থানে আছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বিশ্বের সবচেয়ে সৎ পাঁচজন সরকার প্রধানের তালিকায় তৃতীয় স্থানে আছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্যারাডাইস পেপারস আর পানামা পেপারস নিয়ে যখন কলঙ্কিত বিশ্ব রাজনীতি। রাজনীতির সঙ্গে যখন দুর্নীতি আষ্টেপৃষ্টে জড়িয়ে যাচ্ছে, তখন তার আশ্চর্য ব্যাতিক্রম কয়েকজন। পিপলস অ্যান্ড পলিটিকস, বিশ্বের ৫ জন সরকার রাষ্ট্রপ্রধানকে চিহ্নিত করেছেন, যাদের দুর্নীতি স্পর্শ করেনি, বিদেশে কোনো ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নেই, উল্লেখ করার মতো কোনো সম্পদও নেই।
বিশ্বের সবচেয়ে সৎ এই পাঁচজন সরকার প্রধানের তালিকায় তৃতীয় স্থানে আছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।বিশ্ব রাজনীতিতে যাদের সৎ ভাবা হতো, যাদের অনুকরণীয় মনে করা হতো – তাদের অনেকেই কলঙ্কিত হয়েছেন পানামা পেপারস এবং প্যারাডাইস পেপারসে। রানি এলিজাবেথ থেকে শুরু করে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডার নাম এসেছে অনৈতিক আর্থিক লেনদেনে। পানামা পেপারস এর ধাক্কায় মন্ত্রিত্ব ছেড়েছেন নওয়াজ শরিফ, আইসল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী সিগমুন্ডুর ডেভিড গুনলাগসন। তথাকথিত সৎ দেশগুলোকে কাঁপিয়ে দিয়েছে গোপনে কর স্বর্গে বিনিয়োগের ফাঁস হওয়া তথ্যভাণ্ডার।
বিশ্ব রাজনীতি নিয়ে গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘পিপলস অ্যান্ড পলিটিক্স’ এই প্রেক্ষাপটে সৎ নেতার সন্ধান করেছে। ৫ টি প্রশ্নের উত্তর খুঁজে নেতৃত্বের সততার মান বিচার হয়েছে। প্রথম প্রশ্ন ছিল, সরকার/রাষ্ট্রপ্রধান হয়ে তিনি কি তাঁর রাষ্ট্রের বাইরে কোনো ব্যাংক অ্যাকাউন্ট করেছে? দ্বিতীয় প্রশ্ন ছিল, ক্ষমতায় আসীন হবার পর তাঁর ব্যক্তিগত সম্পদ কতটুকু বেড়েছে। তৃতীয় প্রশ্ন ছিল, গোপন সম্পদ গড়েছেন কিনা। চতুর্থ প্রশ্ন সরকার/রাষ্ট্রপ্রধানের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট দুর্নীতির অভিযোগ আছে কিনা। আর পঞ্চম প্রশ্ন ছিল, দেশের জনগণ তাঁর সম্পর্কে কী ভাবেন?
এই ৫ টি উত্তর নিয়ে পিপলস অ্যান্ড পরিটিক্স ১৭৩ টি দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানের কর্মকাণ্ড বিশ্লেষণ করেছে। এই গবেষণায় সংস্থাটি এরকম মাত্র ১৭ জন সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধান পেয়েছেন যাঁরা শতকরা ৫০ ভাগ দুর্নীতিমুক্ত হিসেবে উত্তীর্ণ হয়েছেন। ১৭৩ জন সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানের মধ্যে সবচেয়ে পরিচ্ছন্ন ও সৎ সরকার প্রধান হিসেবে বিবেচিত হয়েছেন জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মেরকেল। ৫ টি প্রশ্নে মোট ১০০ নম্বরের মধ্যে তিনি পেয়েছেন ৯০।
সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রী লি সিয়েন লং, ৮৮ পেয়ে সৎ সরকার প্রধানদের তালিকায় দ্বিতীয় স্থান পেয়েছেন। ৮৭ নম্বর পেয়ে এই তালিকায় তৃতীয় স্থানে আছেন বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ৮৫ নম্বর পেয়ে বিশ্বে চতুর্থ সৎ সরকার প্রধান বিবেচিত হয়েছেন নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী ইরনা সোলাবার্গ। আর ৮১ নম্বর পেয়ে এই তালিকায় পঞ্চম স্থানে আছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি।পিপলস অ্যান্ড পলিটিক্সের গবেষণায় দেখা গেছে, শেখ হাসিনার বাংলাদেশের বাইরে কোনো ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নেই। সংস্থাটি গবেষণায় দেখেছে, বেতন ছাড়া শেখ হাসিনার সম্পদের স্থিতিতে কোনো সংযুক্তি নেই। শেখ হাসিনার কোনো গোপন সম্পদ নেই বলে নিশ্চিত হয়েছে পিপলস অ্যন্ড পলিটিক্স। শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশের ৭৮ ভাগ মানুষ মনে করেন সৎ এবং ব্যক্তিগত লোভ লালসার উর্ধ্বে। তবে, তাঁর সরকারের বিরুদ্ধে কিছু দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে বলে সংস্থাটির গবেষণা প্রতিবেদেন উল্লেখ করা হয়েছে।

ADD

Popular Posts

Recent Posts

আমার চাওয়া-পাওয়ার কিছুই নেই, উন্নয়নই লক্ষ্য : প্রধানমন্ত্রী

আমার চাওয়া-পাওয়ার কিছুই নেই, উন্নয়নই লক্ষ্য : প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমার কোনো চাওয়া-পাওয়ার কিছুই নেই। মা-বাবাসহ সব...